cricbd-তে যত বেশি খেলবেন, তত বেশি পাবেন। আমাদের ভিআইপি প্রোগ্রাম বাংলাদেশের সবচেয়ে উদার লয়ালটি সিস্টেম – বিশেষ বোনাস, দ্রুত উইথড্র এবং ব্যক্তিগত সেবা নিয়ে।
সাধারণ খেলোয়াড় থেকে ভিআইপি হওয়ার পথটা cricbd-তে অনেক সহজ। আপনি প্রতিদিন যতটুকু বেট করবেন, সেই অনুযায়ী পয়েন্ট জমা হতে থাকে। নির্দিষ্ট পয়েন্ট পূরণ হলেই আপনি পরবর্তী স্তরে উঠে যান – এবং প্রতিটি স্তরে সুবিধার তালিকা আরও দীর্ঘ হয়।
cricbd-র ভিআইপি প্রোগ রাম পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে – ব্রোঞ্জ, সিলভার, গোল্ড, প্লাটিনাম এবং ডায়মন্ড। প্রতিটি স্তরে রয়েছে আলাদা সুবিধা, আলাদা ক্যাশব্যাক রেট এবং আলাদা উপহার। ডায়মন্ড স্তরের সদস্যরা পান সম্পূর্ণ ব্যক্তিগতকৃত সেবা – একজন নিজস্ব অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার যিনি সরাসরি ফোনে সাহায্য করেন।
এখানে কোনো লুকানো শর্ত নেই, কোনো জটিল হিসাব নেই। প্রতিটি বেট থেকে যে পয়েন্ট আসে তা সরাসরি আপনার অ্যাকাউন্টে দেখা যায়। আপনি যেকোনো সময় নিজের ভিআইপি ড্যাশবোর্ড থেকে দেখতে পারবেন কত পয়েন্ট আছে এবং পরবর্তী স্তরে যেতে আর কতটুকু বাকি।
বাংলাদেশের অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের তুলনায় cricbd ভিআইপি প্রোগ্রাম একটু আলাদা কারণ এখানে ক্যাশব্যাক সরাসরি আপনার মূল ব্যালেন্সে যোগ হয় – কোনো ওয়েজারিং শর্ত ছাড়াই। মানে আপনি পাওয়া ক্যাশব্যাক সঙ্গে সঙ্গে উইথড্র করতে পারবেন।
ভিআইপি পয়েন্ট শুধুমাত্র আসল টাকার বেট থেকে অর্জন করা যায়। বোনাস মানি দিয়ে করা বেট থেকে পয়েন্ট পাওয়া যায় না। তবে ফ্রি স্পিন দিয়ে জেতা টাকা দিয়ে বেট করলে পয়েন্ট পাবেন।
স্তর অনুযায়ী ৫% থেকে ৩০% পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পান। ওয়েজারিং শর্ত ছাড়াই সরাসরি মূল ব্যালেন্সে।
গোল্ড ও তদূর্ধ্ব সদস্যরা মাত্র ১ মিনিটে বিকাশ-নগদে টাকা পান। ডায়মন্ড সদস্যদের কোনো লিমিট নেই।
প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড সদস্যরা একজন নিজস্ব অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার পান যিনি যেকোনো সমস্যায় সাহায্য করেন।
জন্মদিনের বোনাস থেকে শুরু করে মাসিক বিশেষ প্যাকেজ – ভিআইপি সদস্যদের জন্য প্রতি মাসে চমক থাকে।
গোল্ড ও উপরের স্তরের সদস্যরা বিশেষ ভিআইপি-অনলি টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারেন যেখানে বড় পুরস্কার থাকে।
ভিআইপি সদস্যরা সাধারণ সদস্যদের তুলনায় অনেক বেশি বেট করতে পারেন – ডায়মন্ডে কোনো সীমা নেই।
অনেকেই জিজ্ঞেস করেন – ভিআইপি হওয়া কি সত্যিই পার্থক্য তৈরি করে? সত্যি কথা হলো, হ্যাঁ। একটা উদাহরণ দিলে বুঝতে সহজ হবে। ধরুন আপনি প্রতি সপ্তাহে ৳৫,০০০ বেট করেন। ব্রোঞ্জ স্তরে থাকলে ৫% ক্যাশব্যাকে পাবেন ৳২৫০। কিন্তু গোল্ড স্তরে উঠলে ১৫% হিসেবে পাবেন ৳৭৫০ – তিনগুণ বেশি। এটা এক মাসে হিসাব করলে হয় ৳৩,০০০ অতিরিক্ত আয়।
cricbd-র ভিআইপি প্রোগ্রামের আরেকটা বিশেষ দিক হলো পয়েন্ট কখনো মেয়াদোত্তীর্ণ হয় না। আপনি যদি কিছুদিন না খেলেন, আপনার জমানো পয়েন্ট ঠিকই থাকবে। তবে টানা ছয় মাস নিষ্ক্রিয় থাকলে স্তর একধাপ নিচে নামতে পারে – তাই নিয়মিত খেলা রাখাটাই ভালো।
ডায়মন্ড স্তরের সদস্যদের জন্য cricbd যা করে তা সত্যিকার অর্থেই রাজকীয় সেবা। তাঁদের জন্য আলাদা উইথড্র চ্যানেল আছে যেটা সাধারণ কিউয়ের বাইরে কাজ করে। রাত ২টায়ও উইথড্র করলে সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছে যায়। এই ধরনের সেবা বাংলাদেশে অন্য কোনো প্ল্যাটফর্মে পাওয়া কঠিন।
ভিআইপি স্তর দ্রুত বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো স্লট গেম খেলা – কারণ এখানে প্রতি ৳১০০ বেটে ১০ পয়েন্ট পাওয়া যায়, যা অন্য ক্যাটাগরির তুলনায় সবচেয়ে বেশি। PG Soft বা Pragmatic Play-এর হাই ভোলাটিলিটি গেমে বেটের পরিমাণ স্বাভাবিকভাবেই বেশি হয়, তাই পয়েন্টও দ্রুত জমে।
এছাড়া cricbd নিয়মিত ডাবল পয়েন্ট উইকেন্ড আয়োজন করে। সেই সময় খেললে স্বাভাবিক সময়ের দ্বিগুণ পয়েন্ট পাওয়া যায়। প্রোমোশন পেজে নজর রাখলে এই অফারগুলো মিস হবে না। বিশেষ করে ঈদ বা অন্য উৎসবের সময় cricbd বিশেষ ভিআইপি ক্যাম্পেইন চালায় যেখানে বোনাস পয়েন্ট পাওয়ার সুযোগ থাকে।
মনে রাখবেন – বড় বেট মানেই বেশি পয়েন্ট। কিন্তু সবসময় নিজের বাজেটের মধ্যে থেকে খেলুন। cricbd-তে দায়িত্বশীল গেমিং সবার আগে। আনন্দের জন্য খেলুন, চাপের জন্য নয়।
গোল্ড ও উপরের সদস্ যরা পান প্রায়োরিটি লাইভ চ্যাট সাপোর্ট। ডায়মন্ড সদস্যদের জন্য আছে ডেডিকেটেড হোয়াটসঅ্যাপ লাইন।
cricbd-তে নিবন্ধন করুন। মাত্র কয়েক মিনিটে অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যায়। বিকাশ বা নগদ নম্বর দিয়ে সহজেই ভেরিফাই করুন।
যেকোনো পরিমাণে ডিপোজিট করুন এবং ওয়েলকাম বোনাস পান। ডিপোজিট করার সাথে সাথে ব্রোঞ্জ ভিআইপি স্তরে প্রবেশ হয়ে যাবে।
পছন্দের গেম খেলুন। প্রতিটি বেট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পয়েন্ট জমা হবে। ড্যাশবোর্ডে রিয়েল-টাইম পয়েন্ট ট্র্যাক করুন।
নির্দিষ্ট পয়েন্ট পূরণ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী ভিআইপি স্তরে উন্নীত হবেন এবং নতুন সুবিধা সক্রিয় হবে।
ক্যাশব্যাক, ফ্রি স্পিন, দ্রুত উইথড্র এবং এক্সক্লুসিভ অফার – সব কিছু সরাসরি আপনার অ্যাকাউন্টে পাবেন।
| সুবিধা | ব্রোঞ্জ | সিলভার | গোল্ড | প্লাটিনাম | ডায়মন্ড |
|---|---|---|---|---|---|
| ক্যাশব্যাক হার | ৫% | ১০% | ১৫% | ২৫% | ৩০% |
| উইথড্র গতি | ১–৩ ঘণ্টা | ৩০ মিনিট | ৫ মিনিট | ১ মিনিট | ইনস্ট্যান্ট |
| ব্যক্তিগত ম্যানেজার | |||||
| এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট | |||||
| জন্মদিনের বোনাস | |||||
| মাসিক ফ্রি স্পিন | |||||
| উইথড্র লিমিট | ৳৫০,০০০/দিন | ৳১,০০,০০০/দিন | ৳৫,০০,০০০/দিন | ৳১০,০০,০০০/দিন | আনলিমিটেড |
| ২৪/৭ ফোন সাপোর্ট |
"গোল্ড স্তরে উঠার পর থেকে উইথড্র একদম রকেটের মতো দ্রুত। আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতাম, এখন ৫ মিনিটেই টাকা পাই।"
"প্লাটিনামে আসার পর থেকে cricbd আমাকে একজন ব্যক্তিগত ম্যানেজার দিয়েছে। যেকোনো সমস্যায় সরাসরি যোগাযোগ করি, সাথে সাথে সমাধান পাই।"
"ক্যাশব্যাক সরাসরি মূল ব্যালেন্সে আসে, কোনো শর্ত নেই। এটাই cricbd-র সবচেয়ে ভালো দিক। ডায়মন্ডে উঠতে পারলে আরও ভালো হবে।"